BPL থেকে IPL, T20 World Cup থেকে Champions League — Cricxo-তে প্রতিটি বড় স্পোর্টস ইভেন্টের লাইভ স্কোর, সূচি ও বেটিং মার্কেট এক জায়গায় পাওয়া যায়।
Cricxo-তে এই মুহূর্তে ও আজকের বাকি ম্যাচগুলো
Cricxo-তে যে আসরগুলোতে এখন বেটিং করা যাচ্ছে
Cricxo-তে আগামী সাত দিনের বড় ম্যাচগুলো
Cricxo-তে কোন খেলার ইভেন্টে কী ধরনের বেটিং পাওয়া যায়
টেস্ট, ODI, T20 — তিন ফরম্যাটেই বেটিং। বল-বাই-বল মার্কেট, পাওয়ারপ্লে, টপ ব্যাটার, সিরিজ বিজয়ী — শত শত অপশন।
গোল স্কোরার, ম্যাচ রেজাল্ট, কর্নার, কার্ড, হাফটাইম স্কোর — প্রতিটি ম্যাচে ৪০০+ মার্কেট। লাইভে মিনিটে মিনিটে বদলায়।
সেট বিজয়ী, ম্যাচ বিজয়ী, গেম হ্যান্ডিক্যাপ — চারটি গ্র্যান্ড স্ল্যামসহ বছরের প্রতিটি বড় টুর্নামেন্ট কভার করা হয়।
NBA, EuroLeague, FIBA — কোয়ার্টার ভিত্তিক বেটিং, পয়েন্ট স্প্রেড, টপ স্কোরার মার্কেট সব আছে।
Pro Kabaddi League-এ সম্পূর্ণ বেটিং মার্কেট। রেইড পয়েন্ট, ট্যাকল সাকসেস, হাফটাইম স্কোর — বাংলাদেশি দর্শকদের পছন্দের খেলা।
CS2, Dota 2, League of Legends, VALORANT — দিনরাত ২৪ ঘণ্টা কোনো না কোনো ম্যাচ চলছেই।
খেলাধুলার খবর রাখতে আগে অনেক জায়গায় ঢুঁ মারতে হতো — একটা সাইটে ক্রিকেটের স্কোর, আরেকটায় ফুটবলের সূচি, আলাদা অ্যাপে বেটিং অডস। Cricxo-র স্পোর্টস ইভেন্ট পেজ সেই ঝামেলা পুরোপুরি শেষ করে দিয়েছে। এখানে একই পেজে লাইভ স্কোর, আসন্ন ম্যাচের সূচি, বেটিং অডস — সব পাওয়া যায়।
বাংলাদেশের ক্রিকেটপ্রেমীদের জন্য সবচেয়ে বড় আকর্ষণ হলো BPL এবং জাতীয় দলের ম্যাচগুলোর বিশেষ কভারেজ। যখন বাংলাদেশ খেলে, Cricxo-তে শুধু ম্যাচ উইনার নয়, পাওয়ারপ্লেতে কত রান হবে, কোন ব্যাটার সর্বোচ্চ স্কোর করবেন, এমনকি পরবর্তী বলে কী হবে — সব ধরনের বেটিং মার্কেট খোলা থাকে। এই বল-বাই-বল লাইভ বেটিং অভিজ্ঞতা Cricxo-কে আলাদা করে তোলে।
IPL মৌসুমে Cricxo-তে ইভেন্ট পেজ একটা উৎসবমুখর চেহারা নেয়। প্রতিদিন দু-তিনটা করে ম্যাচ, প্রতিটায় শত শত মার্কেট। মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স বা চেন্নাই সুপার কিংসের ভক্তরা তাদের প্রিয় দলের উপর বেট করেন, আবার অনেকেই পরিসংখ্যান বিশ্লেষণ করে অডসের মূল্য খোঁজেন। Cricxo-তে প্রতিটি ম্যাচের জন্য দলীয় ফর্ম, হেড-টু-হেড রেকর্ড ও পিচ রিপোর্ট সহজলভ্য, যা সিদ্ধান্ত নিতে সাহায্য করে।
ফুটবলপ্রেমীদের জন্যও Cricxo-র ইভেন্ট তালিকা প্রায় অসীম। ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের শনিবার-রবিবারের ম্যাচগুলো বাংলাদেশে রাত ১০টা থেকে শুরু হয়। অনেকেই রাত জেগে খেলা দেখেন এবং একইসাথে Cricxo-তে লাইভ বেটিং উপভোগ করেন। Champions League নক-আউট পর্বে তো ম্যাচগুলো যেন উৎসবে পরিণত হয়।
ইভেন্ট ক্যালেন্ডার ফিচারটা অনেক বেটরের পরিকল্পনায় কাজে আসে। সপ্তাহের শুরুতে একবার দেখে নিলেই বোঝা যায় কোন দিন কোন কোন বড় ম্যাচ আছে। এতে আগে থেকে প্রি-ম্যাচ বেট করার সুযোগ পাওয়া যায়, যেখানে অডস সাধারণত একটু ভালো থাকে কারণ ম্যাচ শুরুর আগ পর্যন্ত অনিশ্চয়তা বেশি থাকে।
টেনিস ও বাস্কেটবলে আগ্রহীরাও Cricxo-তে হতাশ হন না। Wimbledon, US Open বা NBA Finals — এই টুর্নামেন্টগুলোর প্রতিটি ম্যাচ পূর্ণ মার্কেটসহ কভার করা হয়। বাংলাদেশে টেনিস ও বাস্কেটবলের দর্শক সংখ্যা দিন দিন বাড়ছে এবং Cricxo তাদের চাহিদা পূরণ করতে সচেষ্ট।
কবাডি আলাদা একটি সেকশন হিসেবে Cricxo-তে স্থান পেয়েছে কারণ এই খেলাটি বাংলাদেশে ঐতিহ্যগতভাবে জনপ্রিয়। Pro Kabaddi League-এর ম্যাচগুলোতে রেইড পয়েন্ট, সুপার রেইড, ট্যাকল সাকসেস — এই বিশেষ মার্কেটগুলো শুধু Cricxo-তেই পাওয়া যায়।
সবশেষে, ই-স্পোর্টস একটা উল্লেখযোগ্য সংযোজন। তরুণ প্রজন্মের কাছে CS2, VALORANT বা Dota 2 এর টুর্নামেন্ট ঠিক ক্রিকেটের মতোই উত্তেজনাপূর্ণ। Cricxo সেই চাহিদা বুঝে ই-স্পোর্টস ইভেন্টে ২৪ ঘণ্টা বেটিং মার্কেট চালু রেখেছে।
স্পোর্টস ইভেন্ট নিয়ে যা জানতে চাওয়া হয়
বাংলাদেশ vs ভারত T20 লাইভ চলছে — এখনই বেট করার সময়।