যেকোনো জায়গা থেকে, যেকোনো সময় — Cricxo অ্যাপ দিয়ে লাইভ ক্রিকেট বেটিং, ক্যাসিনো, লটারি এবং আরও অনেক কিছু মাত্র এক ট্যাপেই। Android ও iOS — দুটো প্ল্যাটফর্মেই পাওয়া যাচ্ছে।
একটাই অ্যাপে সব — বেটিং, ক্যাসিনো, লটারি, পেমেন্ট ও লাইভ স্কোর
প্রতিটি বলে, প্রতিটি ওভারে রিয়েল-টাইম অডস আপডেট হয়। Cricxo অ্যাপে ইন-প্লে বেটিং করুন এবং ম্যাচের গতি দেখে সিদ্ধান্ত নিন।
ম্যাচ শুরুর আগে, উইকেট পড়লে, বড় অডস পরিবর্তনে — Cricxo অ্যাপ আপনাকে সাথে সাথে জানাবে। কোনো সুযোগ মিস হবে না।
বিকাশ, নগদ, রকেট — সরাসরি অ্যাপ থেকে ডিপোজিট ও উইথড্রয়াল। জেতার পর ৫ মিনিটেই টাকা হাতে।
ফিঙ্গারপ্রিন্ট বা ফেস আইডি দিয়ে এক সেকেন্ডে লগইন। পাসওয়ার্ড মনে রাখার ঝামেলা নেই।
আপনার সব বেটের রেকর্ড, জয়-পরাজয়ের পরিসংখ্যান এবং মাসিক রিপোর্ট সরাসরি অ্যাপে।
রাতে খেলার সময় চোখের আরামের জন্য ডার্ক মোড চালু করুন। ব্যাটারিও বাঁচে, চোখও ভালো থাকে।
Cricxo অ্যাপের প্রধান স্ক্রিনগুলো দেখে নিন
Android ও iOS — দুটোতেই একদম সহজ। নিচের ধাপগুলো অনুসরণ করুন।
প্রথমে Cricxo-তে অ্যাকাউন্ট খুলুন। ইতিমধ্যে অ্যাকাউন্ট থাকলে সরাসরি ডাউনলোড পেজে যান।
ফোনের Settings > Security থেকে "Unknown Sources" চালু করুন। তারপর APK ফাইল ডাউনলোড করে ইনস্টল করুন — মাত্র ১৮MB।
iPhone বা iPad ব্যবহারকারীরা App Store-এ "Cricxo" সার্চ করুন এবং ইনস্টল বাটনে ট্যাপ করুন।
অ্যাপ খুলুন, আপনার Cricxo অ্যাকাউন্টে লগইন করুন এবং সরাসরি বেটিং শুরু করুন। প্রথমবার লগইনে ওয়েলকাম বোনাস অপেক্ষা করছে।
Cricxo অ্যাপের এক্সক্লুসিভ সুবিধাগুলো তুলনায় দেখুন
| সুবিধা | Cricxo অ্যাপ | মোবাইল ব্রাউজার |
|---|---|---|
| পুশ নোটিফিকেশন লাইভ আপডেট সাথে সাথে পান |
||
| বায়োমেট্রিক লগইন ফিঙ্গারপ্রিন্ট ও ফেস আইডি |
||
| অফলাইন হিস্ট্রি দেখা ইন্টারনেট ছাড়াও বেট রেকর্ড |
||
| লোডিং স্পিড পেজ রেন্ডারিং সময় |
০.৩ সেকেন্ড | ১.৫–৩ সেকেন্ড |
| ডেটা সাশ্রয় কম ইন্টারনেটেও চলে |
||
| অ্যাপ-এক্সক্লুসিভ বোনাস শুধু অ্যাপ ব্যবহারকারীদের জন্য |
||
| লাইভ চ্যাট সাপোর্ট ইন-অ্যাপ হেল্প |
বাংলাদেশে স্মার্টফোন ব্যবহারকারীর সংখ্যা দিন দিন বাড়ছে, আর সেই সাথে বাড়ছে মোবাইলে বেটিংয়ের চাহিদাও। Cricxo ঠিক এই চাহিদা মাথায় রেখে তৈরি করেছে তাদের মোবাইল অ্যাপ। শুরুটা সহজ — মাত্র ১৮ মেগাবাইটের এই অ্যাপ যেকোনো মিড-রেঞ্জ ফোনেও দুর্দান্তভাবে চলে।
Cricxo অ্যাপের সবচেয়ে বড় সুবিধা হলো এর লাইভ বেটিং ফিচার। ক্রিকেট ম্যাচের একদম মাঝখানে, যখন একটা মেইডেন ওভার হলো বা কোনো ব্যাটসম্যান আউট হলো — সাথে সাথে অডস পাল্টে যায়। Cricxo অ্যাপ সেই পরিবর্তন ০.৩ সেকেন্ডের মধ্যে দেখায়। ব্রাউজারে এত দ্রুত কখনো সম্ভব নয়।
পেমেন্টের ব্যাপারে Cricxo অ্যাপ বাংলাদেশের বাস্তবতা বোঝে। বিকাশ আর নগদই এখানে সবচেয়ে বেশি ব্যবহার হয়। অ্যাপে এই দুটো পদ্ধতিতে ডিপোজিট করা কার্যত ৩০ সেকেন্ডের কাজ। নম্বর দিন, পিন দিন — হয়ে গেল। উইথড্রয়ালের ক্ষেত্রেও Cricxo-র লক্ষ্য হলো ৫ মিনিটের মধ্যে প্রসেস করা। বেশিরভাগ সময় তারা সেই প্রতিশ্রুতি রাখে।
Cricxo অ্যাপে শুধু ক্রিকেট নয়, পাবেন ফুটবল, কবাডি, টেনিস, ব্যাডমিন্টন সহ আরও অনেক স্পোর্টস। বিপিএল, আইপিএল, ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগ, চ্যাম্পিয়নস লিগ — সব বড় টুর্নামেন্টের হাজারো মার্কেট। এছাড়া গেমিং সেকশনে আছে তিন পাত্তি, রুলেট, স্লট, ক্র্যাশ গেম এবং লাইভ ক্যাসিনো।
নিরাপত্তার দিক থেকে Cricxo অ্যাপ কোনো ছাড় দেয় না। প্রতিটি সেশনে SSL এনক্রিপশন সক্রিয় থাকে। বায়োমেট্রিক লগইন মানে আপনার ফোন হাতে না থাকলে কেউ আপনার অ্যাকাউন্টে ঢুকতে পারবে না। আর দুই-স্তরীয় যাচাইকরণ চালু রাখলে অতিরিক্ত সুরক্ষা পাওয়া যায়।
অ্যাপ-এক্সক্লুসিভ অফারগুলো আরেকটা বড় আকর্ষণ। প্রতি সপ্তাহে অ্যাপ ব্যবহারকারীদের জন্য বিশেষ ক্যাশব্যাক অফার থাকে যা ওয়েবসাইটে পাওয়া যায় না। ডেইলি লগইন বোনাস, টার্গেটেড প্রোমো এবং পুশ নোটিফিকেশনে এক্সক্লুসিভ ডিল — এগুলো মিলিয়ে অ্যাপ ব্যবহারকারীরা বাড়তি সুবিধা পান।
সাপোর্টের ক্ষেত্রেও Cricxo অ্যাপ এগিয়ে। ইন-অ্যাপ লাইভ চ্যাটে বাংলায় কথা বলা যায় যেকোনো সময়। সাধারণত ২ মিনিটের মধ্যে এজেন্ট সংযুক্ত হয়। যেকোনো ট্রানজেকশন সমস্যা, বেট বিতর্ক বা টেকনিক্যাল ইস্যু — সব কিছুতেই দ্রুত সমাধান পাওয়া যায়।
সব মিলিয়ে Cricxo অ্যাপ হলো বাংলাদেশের বেটিং কমিউনিটির জন্য সবচেয়ে কার্যকর সমাধান। যারা ব্যস্ত জীবনে মাঝেমধ্যে বেটিং উপভোগ করতে চান, তাদের জন্য এই অ্যাপ দারুণ। আবার যারা প্রতিদিন সিরিয়াসলি বেট করেন, তাদের জন্যও যথেষ্ট শক্তিশালী।
অ্যাপ নিয়ে যে প্রশ্নগুলো সবচেয়ে বেশি আসে
Android ও iOS — দুটোতেই বিনামূল্যে। প্রথম লগইনে বিশেষ অ্যাপ বোনাস পাবেন।